সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

জমি থেকে বালু-পাথর উত্তোলনে বাধা দেয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম

  • আপলোড সময় : ১১-০৩-২০২৫ ০৯:৫৯:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৫ ১০:২৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
জমি থেকে বালু-পাথর উত্তোলনে বাধা দেয়ায় কৃষককে কুপিয়ে জখম
স্টাফ রিপোর্টার :: বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ইজারাবিহীন ধোপাজান-চলতি নদীর তীরে ৩ ফসলি জমি (শিম ক্ষেত) থেকে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় জমির মালিক কৃষক ফরিদ মিয়াকে বেধড়ক মারপিট ও কুপিয়ে জখম করেছে বালুখেকোরা। তিনি সলুকাবাদ ইউনিয়নের কালীপুর ডলুরা গ্রামের মরহুম ধনু মিয়ার ছেলে। সোমবার ডলুরা কালীপুর চলতি নদীর তীরে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সোমবার সকালে বালু-পাথরখেকো সিন্ডিকেট ড্রেজার দিয়ে কৃষক ফরিদ মিয়ার (৩৮) জমি থেকে বালু-পাথর উত্তোলন করছিল। এসময় তিনি বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে বালু-পাথরখেকোরা। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহতের ভাই শাহজাহান মিয়া বলেন, সোমবার সকালে আমার ভাই ফরিদ মিয়ার নিজস্ব শিমক্ষেত থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু-পাথর উত্তোলন করছিল সিন্ডিকেট সদস্যরা। এতে তিনি বাধা প্রদান করেন। এ সময় একই গ্রামের ইছব আলীর হুকুমে মহর আলী, মোহাম্মদ আলী ও ইকবাল হোসেন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে ফরিদ মিয়াকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। পরিবারের লোকজন জানান, আহত ফরিদ মিয়াকে নিয়ে ওসমানী মেডিকেলে ভর্তি আছেন। কিন্তু এখনও তার জ্ঞান ফেরেনি। অভিযোগের ব্যাপারে ইছব আলী জানান, আমি অসুস্থ বাড়িতে ছিলাম। মারামারির ঘটনায় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। এদিকে, বিশ্বম্ভরপুর থানার এসআই তাজ উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এই ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেননি বলে জানান। বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোকলেছুর রহমান জানান, কালীপুর ডলুরায় মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ফরিদ মিয়া নামের একজন ওসমানী মেডিকেলে ভর্তি আছে। তার হাতের কব্জির রগ ডিসপ্লেস হয়ে গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ